পোস্টগুলি

গজালিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়ন। - আলহাজ্ব আতিয়ার রহমান বিশ্বাস

ছবি
খুলনা জেলার দক্ষিণ অঞ্চলের পাইকগাছা থানার একটা অজপাড়াগাঁয়ের নাম গজালিয়া গ্রাম। অবহেলিত, বঞ্চিত শিক্ষার আলোবিহীন একটা গ্রাম। ঝোপ-ঝাড়-বনাঞ্চল, নদী আর খাল, পাখ-পাখালীর কলরবে ভরা এ গ্রাম। গ্রামের শ্রদ্ধেয় মুরুব্বী জহির উদ্দীন সরদার বাছতুল্লাহ সরদার, দেলদার সরদার এরা মিলে জায়গা দিয়ে তৈরী হয় স্কুল ঘর। সেখানে জয়নাল আবেদীন সরদার ও দেলদার সরদার ও গ্রামের লোকজন সম্মিলিতভাবে ছাত্রছাত্রী জোগাড় করে শুরু হয় গজালিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যাত্রা। পরে আমি খুলনা থেকে লেখাপড়া ছেড়ে গ্রামে চলে আসি এবং ক্লাশ নেয়া শুরু করি। স্কুলের প্রতি, লেখাপড়ার প্রতি আমার আগ্রহ দেখে স্কুল গড়ার দায়-দায়িত্ব আমার উপরে অর্পিত হলো। আমার বড়ভাই আলহাজ্ব আজিজুর রহমান বিশ্বাস, বাছতুল্লাহ সরদার, জয়নাল আবেদীন সরদার, দেলদার আহমেদ সরদারসহ অন্যান্যরা আমাকে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে সহযোগীতা করতেন। আমিও সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে স্কুলকে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালাই। আজকের গজালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঐ সময় থানা শিক্ষা অফিসার (টি.ও) ছিলেন জনাব কুদরতউল্লাহ, তিনি অত্যন্ত ভাল লোক ছিলেন এবং শিক্ষার প্রতি ছিল অসীম আগ্রহ। তিনি আমাদের স্কুলের কর্মকা...

গরীবের সেকুলারিজমের গন্তব্য শেষ পর্যন্ত ইসলামোফোবিয়া

ছবি
গরীবের সেকুলারিজমের গন্তব্য শেষ পর্যন্ত ইসলামোফোবিয়া । - মারজান রহমান ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ গরীবের সেকুলারিজমের গন্তব্য শেষ পর্যন্ত ইসলামোফোবিয়া । - মারজান রহমান ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ গরীবের সেকুলারিজমের গন্তব্য শেষ পর্যন্ত ইসলামোফোবিয়া । - মারজান রহমান ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ গরীবের সেকুলারিজমের গন্তব্য শেষ পর্যন্ত ইসলামোফোবিয়া । - মারজান রহমান ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ গরীবের সেকুলারিজমের গন্তব্য শেষ পর্যন্ত ইসলামোফোবিয়া । - মারজান রহমান ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ গরীবের সেকুলারিজমের গন্তব্য শেষ পর্যন্ত ইসলামোফোবিয়া । - মারজান রহমান ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ গরীবের সেকুলারিজমের গন্তব্য শেষ পর্যন্ত ইসলামোফোবিয়া । - মারজান রহমান ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ গরীবের সেকুলারিজমের গন্তব্য শেষ পর্যন্ত ইসলামোফোবিয়া । - মারজান রহমান ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ গরীবের সেকুলারিজমের গন্তব্য শেষ পর্যন্ত ইসলামোফোবিয়া । - মারজান রহমান ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ গরীবের সেকুলারিজমের গন্তব্য শেষ পর্যন্ত ইসলামোফোবিয়া । - মারজান রহমান ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

❝ আই হেট পলিটিক্স ট্যাগ লাগিয়ে নিজেকে স্মার্ট মনে করা ২০ বছর বয়সী একজন তরুণ, একটি দেশের জন্য আবর্জনা। সে নিকৃষ্ট স্বৈরশাসক থেকে নিকৃষ্ট ❞ - মারজান রহমান

ছবি
❝ আই হেট পলিটিক্স ট্যাগ লাগিয়ে নিজেকে স্মার্ট মনে  করা ২০ বছর বয়সী একজন তরুণ, একটি দেশের জন্য আবর্জনা। সে নিকৃষ্ট স্বৈরশাসক থেকে নিকৃষ্ট ❞ - মারজান রহমান ২০১৭  সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের বেশির ভাগ ইস্যুই আমার জানা । ইতিহাসের বিভিন্ন ঘটনা ও সরকারি দলের রাজনীতিবীদদের বিভিন্ন বক্তব্যের কাউন্টার পোস্ট দিতাম। সেগুলো খুব সাড়াও ফেলতো।  যাইহোক, তখন আমার মনে হয়েছিল তখনকার আমার সমবয়সী পোলাপান রাজনীতি সচেতন না, নিজের অধিকারের কথা বলতে ভয় পায় , আর ওদের জন্যই হাইব্রিড ফাসিস্ট আমাদের উপর ভর করেছে। আমি নিজে ২০২৩ সালের শুরু থেকে পারিবারিক চাপে, এডমিশনের পড়ার চাপে, ঝামেলা এড়াতে আগের বেশিরভাগ সেনসিটিভ লেখাগুলো এখন  অনলি মি করা, অনেকগুলো ডিলেট করা অনেকগুলো হাইড ফ্রম টাইমলাইন করা।) এখন লাস্ট যদি বলি ক্যারিয়ার গোছাতে নিজের কাজের চাপের ভিতরেও বিভিন্ন বিষয়ে ঘাটাঘাটি করে লেখার খুব ইচ্ছে হয়  আবার আগের মত স্বাধীনভাবে লিখতে কিন্তু সুযোগ ও সময়টুকু পাই না। - মারজান রহমান 
  তারপর একদিন আমাদের তীব্র প্রেমিকারা চলে যাবে। মানুষ চলে গেলে আমরা পিছু ডাকি না, অমঙল হয়। ওরা চলে যাবার সময় দয়া করে "ভালো থেকো" বলে যায়। যে মানুষটা ভালো লাগার সমস্ত কারণ তছনছ করে ভেঙে দিয়ে চলে যাবে তার ঐটুকুন দয়া বিষের ফলার মত বিঁধে। আমাদের তীব্র প্রেমিকারা চলে যায়, তাদের পায়ের ছাপে বিকেল নামে মহাশশ্মানের মত চুপচাপ। তারা চলে যায় আর খষে পড়ে প্রতিশ্রুতির পলেস্তার। একজন মানুষের উপর থেকে বিশ্বাস হারিয়ে গেলে জগতের সমস্ত মানুষদের প্রতি আমাদের সন্দেহ বেড়ে যায়। কেবল আমাকে নয়, তীব্র প্রেমিকা চলে যাবার সময় খুন করে দিয়ে যায় পৃথিবীর সকল নারীদের!

বাংলাদেশে প্রথম যুদ্ধাপরাধী বিচার কবে কোথায় কার প্রতিষ্ঠিত আদালত ও কার তৈরি আইনে হয়েছিল জানেন?

ছবি
পাঞ্চু মিয়া ও ওয়ালী মোহাম্মদ নামে দুজন কুখ্যাত রাজাকারকে ফায়ারিং স্কোয়াডে একজিকিউট করা হয় দেশের প্রথম মুক্তাঞ্চল রৌমারী রেঞ্জে। জিয়াউর রহমান দায়িত্বে থাকাকালীন মুক্তাঞ্চলে ১০ টি ধারার একটি আইন ও শাস্তি প্রচলন করেন। এবং আদালত প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তিতে সেই আইনের ১ম ধারা মোতাবেক আদালত ঊক্ত রাজাকারদ্বয়ের শাস্তি দেয়।। -washimiftekhar

15 August, Mujib

 কেউ সাহস কইর‍্যা এইটা কইতে পারে না শেখ মুজিব নিজেই নিজেরে শান্তিপূর্ণ ভাবে ক্ষমতাচ্যুত করার সব পথ রুদ্ধ কইর‍্যা দিছিলেন। কথাটা শেখ মুজিবরে বলছিলেন তার ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহচর তাজউদ্দিন নিজেই। রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ বাকশাল হওয়ার পরে এক্সিস্ট করতেছিলো না। এমনকি আমরাও নাগরিক ছিলাম না। শেখ মুজিব আইনত এই কাজ করতে পারেন না। তার সেই ম্যান্ডেট ছিলোনা। তিনি নিজেরেই নিজে আজীবন রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করতে পারেন না।  শেখ মুজিব নিজেই নিজের এই দুঃখজনক পরিনতির জন্য দায়ী। ১৫ ই আগস্ট সামরিক ক্যুদেতা ছিলোনা। ১৫ ই আগস্ট নিছক বিপথগামী জুনিয়র সেনা অফিসারদের হত্যালীলা ছিলোনা।  ইতিহাসের অনিবার্য পরিনতি ছিলো ১৫ ই আগস্ট। ১৫ ই আগস্ট ট্রাজিক কোন সন্দেহ নাই। শেখ মুজিবও ট্রাজিক নায়ক এতেও কোন সন্দেহ নাই।  ট্রাজেডি আর ট্রাজিক নায়ক কাকে বলে জানেন? মানে যে নায়িকারে বিয়া করতে না পাইর‍্যা দেবদাস হয়, সে না। গ্রীক ট্রাজেডির ডেফিনেশন অনুসারে সেই ট্রাজিক নায়ক যে সুউচ্চ আসন থেকে নিজের বিরাট দুর্বলতায় দুর্দশায় পতিত হয়। শেখ মুজিব এই জন্যই তার সকল দুর্বলতা সত্ত্বেও মানুষের সিমপ্যাথি পাইছেন একজন ট্রাজিক নায়ক হিসেবেই।...

"জার্নি অব জিয়াঃ সিকিম থেকে সার্ক"

ছবি
“ছবির মতন সুন্দর” কথাটিও সিকিমের জন্য খাটে না। বাস্তবে “ভারতের” এই অঙ্গরাজ্যটি ছবির চেয়েও বেশি সুন্দর। পাহাড়ে-পাথরে-সবুজে-তুষারে সিকিমকে পর্যটকদের জন্য বলা যায় আরেক ভূস্বর্গ। দু’হাজার একুশে এসে সিকিমকে ভারতের অঙ্গরাজ্য হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হলেও অনেকেরই জানা নেই সিকিম কিন্তু ছিল আলাদা একটি রাষ্ট্র। ১৯৪৭ সালের বৃটিশ শাসনের শেষভাগে বৃটিশরা উপমহাদেশের রাজ্যগুলোকে স্বাধীনতার ব্যাপারে তাদের অবস্থান স্থির করতে বলায় সিকিম, হায়দরাবাদ, জম্মু, কাশ্মীর জানিয়ে দেয় তারা না ভারত, না পাকিস্তানে যোগ দেবে। তারা থাকতে চায় স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে। কিন্তু এই থাকতে চাওয়াটা ভারতের যথারীতিই পছন্দ হয়নি। সিকিমকে ধীরে ধীরে ভারতের অংশ করে নেয়ার জন্য যা যা করা প্রয়োজন তারা তাইই করেছে। সে গল্প অনেক লম্বা, কেবল জানিয়ে রাখি সিকিম পাকাপাকিভাবে ভারতের গহ্বরে ঢুকে পড়ে ১৯৭৫ সালে। একসময়ের স্বাধীন রাজ্যটি ভাগ্যে জোটে ভারতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম অঙ্গরাজ্যের তকমা। এদিকে তার মাত্র ক’মাস বাদেই সিকিমের কয়েকশ মাইল দূরেই ঘটতে থাকে একের পর এক ঘটনা-দুর্ঘটনা, যা ভারতের আদিপত্যবাদীদের কপালে গভীর ভাজ ফেলতে থাকে। এক সেনা-অভ্যুথানে সপরিব...